শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

ইফতারের ১০ বার্তা

প্রকাশিত - ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬   ১২:৩৫ পিএম
webnews24

সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সিয়াম সাধনা করতে হয়। সূর্যাস্তের সময় সিয়াম সাধনা সমাপ্ত করণই ইফতার। সিয়াম সাধনা থেকে বিরতি  বা ইফতার একজন রোজাদারের জন্য কিছু বার্তা নিয়ে আসে। আসুন জেনে নেয়া যাক কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইফতারের বার্তা সমূহ। 

১.ইফতার জান্নাতি হবার উপায়: রমজান মাসে যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার গুনাহগুলো মাফ হয়ে যাবে। সে দোজখ থেকে মুক্তি পাবে আরসে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, কিন্তু এতে রোজাদারের সওয়াব থেকে কিছুই ঘাটতি হবে না অর্থাৎ রোজাদারের সওয়াব কমবে না।’(মেশকাত ১৭৪ পৃষ্ঠা)।

২. ইফতার বরকত ও কল্যাণ লাভের উপায়: রাসুল বলেন, ‘লোকেরা ততক্ষণ কল্যাণে থাকবে যতক্ষণ তারা ইফতার জলদি করবে।’ (মিশকাত ১৭৫ পৃঃ)

৩. ইফতার আল্লাহর প্রিয় হবার উপায়:  আল্লাহ বলেন, ‘আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সেই বান্দা যে ইফতার সঠিক সময়ে করে। (মেশকাত ১৭৫ পৃঃ) 

৪. ইফতার সময় নির্ণয়ের উপায়:  রাসূল পূর্ব দিকে ইশারা করে বললেন, ‘যখন তোমরা দেখবে যে, রাত ওই দিক থেকে আসছে তখন বুঝবে সিয়াম পালনকারীর ইফতারের সময় হয়ে গেছে।’ (বুখারি ২৬০) 

৫. ইফতার বরকত ও পবিত্রতা লাভের উপায়: রাসুল বলেন, ‘যখন তোমাদের মধ্যে কেউ রোজায় ইফতার করে, সে যেন খেজুর কিংবা খোরমা দিয়ে ইফতার করে। কারণ, তা হচ্ছে বরকত। আর তা না হলে পানি দিয়ে করবে, তা পবিত্রকারী।’ (জামে তিরমিজি, ২য় খণ্ড,হাদিস ৬৯৫)।

৬. ইফতার রোজাদারের উপর আল্লাহর রাজি খুশি:  একজন রোজাদারের উপর যখন আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়ে যান তখনই সে ইফতারের অনুমতি পায়। ইফতারের অনুমতি লাভই ইফতারের সময়। তখন রোজাদারের মুখে উচ্চারিত হয় ইফতারের দোয়া। ‘হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিজিকের মাধ্যমে  ইফতার করছি’। (আবু দাউদ ২৩৫৮)

৭. ইফতার রোজাদারের আত্মতৃপ্তি: রোজাদারের জন্য দুটি বড় খুশি রয়েছে। একটি প্রভুর সাক্ষাৎ আরেকটি ইফতারের সময়। (বুখারি ১৭৮৩)

৮. ইফতার দোয়া কবুলের উপায়:  রাসুল বলেন, ‘নিশ্চয়ই রোজাদারের জন্য ইফতারের সময় এমন একটি দোয়া থাকে যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।’ (আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব, ২য় খণ্ড, হাদিস- ২৯)।

৯. ইফতারের সময় আল্লাহর যে ওয়াদা:  আল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার সম্মানের শপথ করছি, আমি অবশ্যই তোমায় (ইফতারের সময় দোয়াকারী) সাহায্য করবো, যদিও কিছু দেরিতে হয়।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, ২য় খণ্ড, হাদিস- ১৭৫২)।

১০. ইফতার পিপাসা হতে মুক্তি: রাসুল বলেন, ‘যে ব্যক্তি রোজাদারকে পানি পান করাবে আল্লাহ তায়ালা তাকে পান করাবেন। সে জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত কখনও পিপাসার্ত হবে না।’ (কানযুল উম্মাল, ৮ম খণ্ড, হাদিস- ২৩৬৫৩)।
 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন