সকল প্রশংসা আল্লাহর। যিনি আমাদের মাঝে রমজান উপহার দিয়ে তার প্রিয় বান্দা হবার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমারা তো ঠিকঠাক রোজা রাখছি, কিন্তু সবাই কি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারছি? আমারা রোজা পালনের মাধ্যমে আল্লাহর কতটুকু নিকটতম হতে পারছি? আসুন জেনে নেয়া যাক এ বিষয়ে রাসূল আমাদেরকে কি কি নির্দেশনা দিয়েছেন।
১. রোজার মাধ্যমে আমরা অতীতের সকল গুনাহ ক্ষমা করিয়ে নিতে পারি: এ বিষয়ে রাসূল সা. বলেন- যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানে সিয়াম পালন করবে, তার অতীতের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (সহিহ বুখারি: ৩৮; সহিহ মুসলিম: ৭৬০)
২. রোজার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর অনেক নিকটতম হতে পারি, কেননা রোজার প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ প্রদান করবেন: এ বিষয়ে রাসূল সা. বলেন- মানব সন্তানের প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, সিয়াম ব্যতীত; কেননা সিয়াম আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব। (সহিহ মুসলিম: ১১৫১)
৩. রোজার মাধ্যমে আমরা একটি নতুন জীবন লাভ করতে পারি, কেননা রোজা জাহান্নাম থেকে রক্ষা করার ঢালস্বরূপ: এ বিষয়ে রাসূল সা. বলেন- রোজা একটি ঢালস্বরূপ; তাই রোজাদার যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং অজ্ঞের মতো আচরণ না করে। (সহিহ বুখারি: ১৮৯৪; সহিহ মুসলিম: ১১৫১)
৪. রোজা আল্লাহর প্রিয় হবার উপায়: এ বিষয়ে রাসূল সা. বলেন- আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, ‘আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সেই বান্দা যে ইফতার সঠিক সময়ে করে। (মেশকাত ১৭৫ পৃঃ)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এ রমজানে যথাযথ রোজা আদায়ের মাধ্যমে তার প্রিয় বান্দা হবার তৌফিক দান করুন। আমিন।
