শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

রোজাদারের জন্য ২টি খুশি

প্রকাশিত - ০২ মার্চ, ২০২৬   ০১:০৭ পিএম
webnews24

সকল প্রশংসা আল্লাহর। যিনি আমাদের মাঝে রমজান উপহার দিয়ে জীবনের সকল বিষণ্ণতা, দুঃখ, পেরেশানি হতে মুক্ত হবার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমারা তো ঠিকঠাক রোজা রাখছি, কিন্তু সবাই কি জীবনের সকল বিষণ্ণতা, দুঃখ, পেরেশানি থেকে মুক্ত হতে পারছি? আমারা রোজা পালনের মাধ্যমে কতটুকু সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, সমৃদ্ধ জীবন যাপনের সক্ষমতা অর্জন করতে পারছি? আসুন জেনে নেয়া যাক এ বিষয়ে রাসূল স. আমাদেরকে কি কি নির্দেশনা দিয়েছেন। 

১. সংযম আমাদের বিষণ্ণতা, দুঃখ, পেরেশানি পুড়িয়ে দেয়: এ বিষয়ে রাসুল স. বলেন- রোজা জাহান্নামের একটি ঢালস্বরূপ; তাই রোজাদার যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং অজ্ঞের মতো আচরণ না করে। (সহিহ বুখারি: ১৮৯৪; সহিহ মুসলিম: ১১৫১)

২. সিয়াম সাধনা আল্লাহর নিকটবর্তী করার মাধ্যমে সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, সমৃদ্ধি দান করে: এ বিষয়ে রাসুল স. বলেন- ‘আমার বান্দাদের মধ্যে তারা আমার বেশি প্রিয়, যারা দ্রুত ইফতার করে।’ (তিরমিজি, আলফিয়্যাতুল হাদিস: ৫৬০, পৃষ্ঠা: ১৩১)। 

৩. রোজা জীবনে দুর্ভোগ দূর করে দেয়: এ বিষয়ে রাসূল স. বলেন, ‘যত দিন লোকেরা ওয়াক্ত হওয়ামাত্র ইফতার করবে, তত দিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে।’ (বুখারি: ১৮৩৩)।

৪. রোজা জীবনের জটিলতা দূর করে ও সরল জীবনযাপনে নিয়ে আসে: এ বিষয়ে রাসূল স. বলেন-   ‘যখন তোমাদের মধ্যে কেউ রোজায় ইফতার করে, সে যেন খেজুর কিংবা খোরমা দিয়ে ইফতার করে। কারণ, তা হচ্ছে বরকত। আর তা না হলে পানি দিয়ে করবে, তা পবিত্রকারী।’ (জামে তিরমিজি, ২য় খণ্ড,হাদিস ৬৯৫)।

৫. রোজাদারের জন্য ২টি উপহার: এ বিষয়ে রাসূল স. বলেন- রোজাদারের জন্য দুটি বড় খুশি রয়েছে। একটি প্রভুর সাক্ষাৎ আরেকটি ইফতারের সময়। (বুখারি ১৭৮৩)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এ রমজানে যথাযথ রোজা আদায়ের মাধ্যমে জীবনে ধন্য ও স্বার্থক হবার তৌফিক দান করুন। আমিন। 


 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন