শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩

আত্মশুদ্ধির শেষ সুযোগ জুমাতুল বিদা

প্রকাশিত - ১২ মার্চ, ২০২৬   ১২:৩১ পিএম
webnews24

রমজানের শেষ জুমা বা জুমাতুল বিদা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও ইবাদতের দিন। এদিন তওবা-ইস্তেগফার, বেশি বেশি দুরুদ পাঠ, পবিত্র সুরা কাহফ তেলাওয়াত, আগে আগে মসজিদে উপস্থিত, জুমার দুই খুতবায় মনোযোগ, এবং নফল ইবাদতের মাধ্যমে সময় কাটানো উচিত। শেষ ১০ দিনের ইবাদত ও কদরের রাত খোঁজারও জরুরি। 

রমজানের আখেরি জুমার দিনের করণীয়:

তওবা ও ইস্তেগফার: রমজানের রোজাগুলোর ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করা। 

বিশেষ দোয়া: জুমার দিন দোয়া কবুল হওয়ার কিছু বিশেষ সময় থাকে বিশেষ করে আসরের পর, তাই শেষ জুমায় বেশি বেশি দোয়া করা। 

সুরা কাহফ তেলাওয়াত: জুমার দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা সুন্নাত। 

দুরুদ পাঠ: নবী কারীম সা. এর ওপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করা। 

মসজিদে দ্রুত গমন: জুমার নামাজ আদায়ের জন্য দ্রুত এবং সময়ের আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া। 

সুন্নাত আদায়: গোসল করা, মিসওয়াক করা, পরিষ্কার বা নতুন পোশাক পরা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা। 

খুতবা শ্রবণ: ইমামের খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা। 

লাইলাতুল কদরের প্রস্তুতি: শেষ জুমা যেহেতু শেষ দশকের অন্তর্ভুক্ত, তাই লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির বাড়িয়ে দেওয়া।
 
দান-সাদাকাহ: রমজানের শেষ দিকে গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা। 

অতিরিক্ত দুনিয়ারীতা বর্জন: শেষ জুমার দিন ইবাদতে অধিক মনোযোগী না হয়ে দুনিয়াদারীতায় ব্যস্ত হয়ে না পড়া। 

সর্বোপরি, এই দিনটি রমজানের বরকত ধরে রাখার এবং নিজেদের আত্মশুদ্ধির শেষ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।  আল্লাহ আমাদের সকলকে 'জুমাতুল বিদা' এর পরিপূর্ণ হক আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন। 
 

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন