২৪ঘণ্টা অনলাইন : বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সান মারিনো। ইউরোপের মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে ম্যাচ, আর সান মারিনোর জন্যও এটি এশিয়ার কোনো দলের বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক লড়াই।
ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে সান মারিনোর প্রধান কোচ রবার্তো সেভোলি বলেন, “বাংলাদেশ দলে কয়েকজন দ্রুতগতির খেলোয়াড় রয়েছে। তারা কাউন্টার অ্যাটাকে খুবই ভালো।”
বাংলাদেশের অন্যতম দ্রুতগতির ফুটবলার রাকিব হোসেন ব্যক্তিগত কারণে দল থেকে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ালেও বাংলাদেশের আক্রমণভাগকে এখনও সমীহ করছেন সান মারিনো কোচ।
সম্প্রতি স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন নতুন কোচ থমাস ডুলি। বাংলাদেশের কোচিং পরিবর্তন নিয়েও মন্তব্য করেন সেভোলি। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে নতুন কোচ এসেছে। তিনি নিশ্চয়ই নতুন কিছু কৌশল ও পরিকল্পনা নিয়ে দলকে মাঠে নামাবেন।”
সান মারিনোর ছোট্ট স্টেডিয়ামে প্রায় পাঁচ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা রয়েছে। ম্যাচটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীর উপস্থিতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি ভাবছেন না সেভোলি।
তিনি বলেন, “স্টেডিয়ামে অনেক বাংলাদেশি সমর্থক থাকবে। তাদের জন্য এটি বিশেষ একটি ম্যাচ। তবে মাঠের খেলায় এর প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি না।”
সংবাদ সম্মেলনে কোচের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সান মারিনোর ফরোয়ার্ড ফিলিপ্পো ভার্দে। তিনি জানান, এশিয়ার কোনো দলের বিপক্ষে প্রথমবার খেলতে নামছে তার দল।
ভার্দে বলেন, “বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। ইউরোপের বড় দলগুলোর বিপক্ষে আমরা সাধারণত রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলি। তবে এই ম্যাচে কিছুটা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করব।”
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সান মারিনো রয়েছে একেবারে নিচের দিকে, আর বাংলাদেশ তাদের চেয়ে প্রায় ৩০ ধাপ এগিয়ে। তবুও দুই দলের কাছেই ম্যাচটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
