রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
২৩ কার্তিক ১৪৩৩
স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্য ক্যাস্টর অয়েল খুবই সমাদৃত। অনেকে হয়তো ক্যাস্টর অয়েলকে কেবল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ওষুধ হিসেবেই জানেন, কিন্তু এর আরও কিছু অসাধারণ ব্যবহার রয়েছে। যেমন- পেশির ব্যথা কমায়: এই তেলটি উষ্ণ অবস্থায় শরীরে তরল পদার্থের সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। পেশিতে মালিশ করার জন্য এটি দারুণ বিকল্প, কারণ এর উষ্ণতা পেশির টান বা আড়ষ্টতা কমাতে সাহায্য করে। আক্রান্ত স্থানে সামান্য পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল লাগিয়ে আলতো করে মালিশ করুন।

ক্যাস্টর অয়েলের ৫ বিস্ময়কর ব্যবহার

প্রকাশিত - ০৮ নভেম্বর, ২০২৬   ০১:৪৩ এএম
webnews24

২৪ঘন্টা অনলাইন: স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্য ক্যাস্টর অয়েল খুবই সমাদৃত। অনেকে হয়তো ক্যাস্টর অয়েলকে কেবল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ওষুধ হিসেবেই জানেন, কিন্তু এর আরও কিছু অসাধারণ ব্যবহার রয়েছে। যেমন- পেশির ব্যথা কমায়: এই তেলটি উষ্ণ অবস্থায় শরীরে তরল পদার্থের সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। পেশিতে মালিশ করার জন্য এটি দারুণ বিকল্প, কারণ এর উষ্ণতা পেশির টান বা আড়ষ্টতা কমাতে সাহায্য করে। আক্রান্ত স্থানে সামান্য পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল লাগিয়ে আলতো করে মালিশ করুন। এছাড়া, অন্যান্য তেলের সাথে মিশিয়েও এটি ব্যবহার করা যায়। যেমন- পেপারমিন্ট অয়েল বা ক্যামোমাইল অয়েলের কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েলের সাথে মিশিয়ে পেশিতে মালিশ করতে পারেন।

ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে: ক্যাস্টর অয়েলের উচ্চ ঘনত্বের কারণে এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও চমৎকার। ত্বকে লাগালে এটি দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকে এবং ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর; এটি ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে তোলে। ছত্রাকজনিত সংক্রমণ দূর করে: ক্যাস্টর অয়েলে শক্তিশালী ছত্রাকরোধী (ফাঙ্গিসাইডাল) গুণ রয়েছে। এ কারণেই এটি অ্যাথলেটস ফুট বা পায়ের আঙুলের ফাঁকে ছত্রাক সংক্রমণ, দাদ এবং কুঁচকির চুলকানির মতো বিভিন্ন ছত্রাকজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে ভালো দিক হলো, অন্যান্য ছত্রাকরোধী ওষুধের বিপরীতে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে সাধারণত কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না।

চুলের রঙ ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ক্যাস্টর অয়েল চুলের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। যদি আপনার চুল নিষ্প্রভ ও উজ্জ্বলতাহীন হয়ে পড়ে, তবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করলে খুব দ্রুত চুল ঘন ও গাঢ় রঙের দেখাবে। এর কারণ হলো, এই তেলটি একটি ‘হিউমেকট্যান্ট’হিসেবে কাজ করে, যা চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। গোসলের পর চুল শুকিয়ে নিন, এরপর এক টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল হালকা গরম করে আঙুলের সাহায্যে চুলে লাগিয়ে নিন। আপনার চুল লম্বা হলে, তেল লাগানোর আগে সেগুলোকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিন, যাতে প্রতিটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত তেল ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। বলিরেখা কমায়: ত্বকের বলিরেখা কমাতে ক্যাস্টর অয়েল দারুণ কার্যকর। এটি ত্বকে কোলাজেন ও ইলাস্টিনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়, যা বার্ধক্যের ছাপ পড়তে বাধা দেয়। ক্যাস্টর অয়েলের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, এটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে অথচ লোমকূপ বন্ধ করে দেয় না। এছাড়া, এটি ত্বকের দাগ ও ক্ষতচিহ্ন কমাতেও সাহায্য করে। সূত্র: হেলদিবিল্ডার্জড

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
তরুণদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধির সঙ্গে অনিদ্রা ও অপর্যাপ্ত ঘুমের সম্পর্ক থাকতে পারে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষের স্বাস্থ্যতথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন, ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে অনিদ্রায় ভোগা ব্যক্তিদের পরবর্তী পাঁচ বছরে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় তিনগুণ বেশি হতে পারে। তবে ঘুমের অভাব সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টি করে, এমন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
সুগারের মাত্রার গত তিন মাসের গড় অর্থাৎ এইচবিএ১সি রক্তপরীক্ষা করানো হয়। সে ক্ষেত্রে ৫.৭ শতাংশ স্বাভাবিক, ৫.৭-৬.৪ শতাংশ প্রি-ডায়াবিটিস এবং ৬.৫ শতাংশে পৌঁছে গেলে তা ডায়াবিটিস।
পোশাক যতই নজরকাড়া হোক, ত্বক যদি রুক্ষ হয়, তা হলে সাজগোজই মাটি। বিশেষত দীপাবলি বা কালীপুজোয় হল্টারনেক বা কাঁধখোলা ব্লাউজ় পরলে, ত্বকের জেল্লা থাকাও জরুরি। কিন্তু এখন থেকেই বাতাসে আর্দ্রতা কমছে। কিছুক্ষণ এসি ঘরে থাকলেই ত্বকে টান ধরছে।
প্রতিদিন পরিমিত কলা খাওয়া হৃদযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আঁশ ও ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের পরিমাণ বুঝে খাওয়া এবং কিডনি রোগীদের পটাশিয়াম গ্রহণে সতর্ক থাকা জরুরি।
স্বাস্থ্যসচেতনতার অংশ হিসেবে অনেকেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় মধু রাখতে পছন্দ করেন। তবে বাজারে মধু কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা, গুণগত মান ও নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।