শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশের সিরিজ জয়

প্রকাশিত - ০৪ অক্টোবর, ২০২৫   ১২:২৮ এএম
webnews24

আফগানিস্তান : ১৪৭/৫; ২০ ওভার
বাংলাদেশ : ১৫০/৮; ১৯.১ ওভার
ফল : বাংলাদেশ ২ উইকেট জয়ী
সিরিজ : বাংলাদেশ ২-০ জয়ী


২৪ঘণ্টা অনলাইন : দারুণ এক সিরিজ জয় করেছে বাংরাদেশে। ১৪৮ রানের পেছনে তাড়া করে ৫ বল হাতে রেখে ২ উইকেটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে। পর পর দুই ম্যাচ জিতে বাংলাদেশের সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছে। তিন ম্যাচ সিরিজে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে ট্রফি নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচটি কঠিন হয়ে ওঠেছিল। তবে শরীফুলের ক্যামিও ব্যাটিংয়ে পাল্টে গেল দৃশ্যপট। শেষ ওভারে তাই ৬ বলে দরকার ছিল দুই রান। আজমত উল্লাহর প্রথম বল লং অন দিয়ে বাউন্ডারিতেই পাঠিয়ে দিলেন শরীফুল ইসলাম। বাংলাদেশ লক্ষ্যে পৌঁছে গেল ৫ বল বাকি রেখেই। সিরিজজয়ের ম্যাচে শেষের নায়ক শরীফুল। দশ নম্বরে নেমে ৬ বলে ১১ রান করেছেন এই বাঁহাতি। এর আগে ম্যাচের শুরুতেও বাংলাদেশকে পথ দেখিয়েছেন এই শরীফুলই। ৪ ওভারে ১ উইকেট নিলেও দিয়েছিলেন মাত্র ১৩ রান। এই ম্যাচের জয়ের নায়ক শরীফুলকে অনেকেই ৮০ নম্বর দিয়ে দিবেন।
ঝটপট ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দুরন্ত ব্যাটিং করেছেন শামীম (৩৩), জাকের আলী (৩২) এবং নূরুল হাসান (৩১)*। এর আগে সাইফের ১৮ রানের ইনিংসটি ছিল দৃষ্টিনন্দন।  নাসেুমে ব্যাটে ১০ এবং ১০ নম্বরে শরীফুলের ৬ বলে ১১ রান জয় নিশ্চিত করেছে। নূরুল হাসানের শেষ পর্যন্ত উইকেট থাকাই জয় এনে দেয়। ফলে ওরমজাইয়ের উইকেট এবং ১৯ রানের ইনিংস কাজে আসেনি।

এর আগে বাংলাদেশের দারুণ ডেথ বোলিংয়ে উইকেট হাতে রেখেও পুঁজি বড় করতে পারেনি আফগানিস্তান। শারজায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে ১৪৭ রানেই আটকে গেলো আফগানরা। ৩ অক্টোবর টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জাকের আলী। শুরু থেকেই আফগানদের চাপে রাখেন শরিফুল-নাসুমরা।

উইকেট না হারালেও প্রথম ৫ ওভার হাত খুলে খেলতে পারেননি দুই ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান আর সেদিকুল্লাহ অতল। ৫ ওভারে তারা তোলেন মাত্র ২২ রান। ষষ্ঠ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের ওপর চড়াও হন জাদরান। ওই ওভারে আসে ১৩ রান। ৬ ওভারের পাওয়ার প্লেতে আফগানরা তোলে বিনা উইকেটে ৩৫।

অষ্টম ওভারে রিশাদ হোসেনকে টানা দুই ছক্কা হাঁকান অতল। তবে পরের বলেই আরেকটি হাঁকাতে গিয়ে লংঅনে পারভেজ হোসেন ইমনের ক্যাচ হন তিনি। ১৯ বলে ২৩ রান আসে অতলের ব্যাট থেকে। ১০ ওভারে ১ উইকেটে ৬৯ রান তোলে আফগানরা। এরপর রানের গতি বাড়াতে গেলে দ্রুত দুটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ৩৭ বলে ৩৮ করে নাসুমের বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি দড়ির কাছে রিশাদের ক্যাচ হন জাদরান।

পরের ওভারে রিশাদ তুলে নেন ওয়াফিউল্লাহ তারাখিলকে। অভিষিক্ত এই ব্যাটার মাত্র ১ রান করে হন লংঅনে সাইফউদ্দিনের ক্যাচ। ৯ বলে ১৪ রানে নাসুমের দ্বিতীয় শিকার হন দারউইশ রসুলি। দুর্দান্ত রানিং ক্যাচ নেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর হাত খোলেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। দারুণ বোলিং করা শরিফুল ১৭তম ওভারে দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে তাকে বোল্ড করেন। ২২ বলে ৩০ করেন গুরবাজ।

ডেথে দারুণ বোলিং করেন শরিফুল, মোস্তাফিজ আর সাইফউদ্দিন। ৫ উইকেট হাতে রেখেও শেষ ৪ ওভারে ৩০ রানের বেশি নিতে পারেনি আফগানরা। নাসুম ৪ ওভারে ২৫ আর রিশাদ ৪৫ রান দিয়ে নেন দুটি করে উইকেট। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে একটি উইকেট পান শরিফুল। সাইফউদ্দিন উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে দেন মাত্র ২২ রান। মোস্তাফিজ ছিলেন খরুচে। ৪০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন কাটার মাস্টার।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন
ওয়েব নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

আরও পড়ুন
মেজর চাকলাদার (অব.)